প্রকাশিত: Mon, Jun 10, 2024 7:41 AM
আপডেট: Wed, Aug 5, 2026 9:57 AM

চামড়া নিয়ে এবারো অনিশ্চয়তা: ন্যায্য দাম নিয়ে শঙ্কা

সালেহ ইমরান: [২] কোরবানীর চামড়া নিয়ে বেশ কয়েক বছর ধরেই নৈরাজ্য চলছে। দেশে-বিদেশে চামড়াজাত পণ্যের দাম ক্রমশ বাড়তে থাকলেও কাঁচা চামড়ার ন্যায্য দাম পান না প্রান্তিক পর্যায়ের বিক্রেতারা। তৃণমূল পর্যায়ের ক্রেতারাও বিপুল লোকসান দিয়ে থাকেন। সরকার চামড়ার দাম বেঁধে দিলেও এই নৈরাজ্য ঠেকানো যাচ্ছে না। ক্ষোভে দুঃখে অনেক ক্রেতাকে চামড়া মাটিতে পুঁতে ফেলতেও দেখা যায়। 

[৩] এবার চামড়া খাতে ব্যাংকগুলো কোনো ঋণ না দেয়ায় আরো সমস্যায় পড়েছেন ট্যানারি মালিক ও সাধারণ চামড়া ব্যবসায়ীরা। এতে করে চামড়া নিয়ে কোনো সুষ্ঠু পরিকল্পনা করতে পারছেন না তারা। বিশেষ সুবিধায় ঋণ বিতরণ করা না হলে চামড়া সংগ্রহে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। (বিডিনিউজ ০৬-০৬-২০২৪)

[৩] সাধারণত কোরবানী উপলক্ষে ২ শতাংশ রেয়াতি সুবিধায় চামড়া শিল্পে ঋণ দিতো ব্যংকগুলো। এবার সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো মাত্র ২৭০ কোটি টাকা ঋণ দিতে চাওয়ায় ব্যবসায়ীরা তা প্রত্যাখ্যান করায় শেষ পর্যন্ত এ খাতে ঋণ দেওয়া হবে না বলে মনে করা হচ্ছে। (আজকের পত্রিকা ০৫-০৬-২০২৪) 

[৪] বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালে চামড়া খাতে ব্যাংকের ঋণ বরাদ্দ ছিলো ২৫৯ কোটি টাকা। ২০২২ সালে ছিলো ৪৪৩ কোটি, ২০২১ সালে ৬১০ কোটি, ২০২০ সালে ৭৩৫ কোটি এবং ২০১৯ সালে ১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। এই ঋণের ২৪ শতাংশ রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাংকগুলোর। 

[৫] বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএ) চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ বলেছেন, বিটিএ’র সদস্য সংখ্যা প্রায় ৮০০। ব্যাংকগুলো যে ঋণ দিতে চায় তা একবারেই অপর্যাপ্ত (বণিকবার্তা ০৫-০৬-২০২৪) 

 [৬] সুষ্ঠু নংরক্ষণের অভাবে কোরবানীর সময় সংগ্রহ করা প্রায় ৩৫ শতাংশ চামড়া নষ্ট হয়। এ খাত থেকে গত অর্থবছরে বৈদেশিক মুদ্রা এসেছে ১১৩ কোটি ডলার। (ঢাকা ট্রিবিউন ০৬-০৬-২০২৪)। সম্পাদনা: সালেহ্ বিপ্লব